RSS

মাথা উঁচু করে একটুখানি আকাশ দেখা…

[ জানি না শেষ পর্যন্ত এই গল্পটাও প্রেমের গল্প হয়ে যাবে কিনা। ইচ্ছে আছে একটু বড় করে লেখার ]

এক

ঘুম থেকে উঠে শাহিন ভাবছে যে আজ সে কি কি করবে; প্রথমে নাস্তা করে বড় আপার বাসায় যেতে হবে, সেখান হতে একটু ঘুরাঘুরি করে তারপর আর কোন কাজ নেই। ও আর রাইহানের বাসায় যেতে হবে। বেকারদের আবার কি কাজ? আগে হলে হয়ত চাকরীর জন্য ছোটাছটি করত। কিন্তু ইদানিং তা আর করে না। সে বুঝে গেছে যে এ জীবনে আর চাকরী হবে না। তার তো মামা চাচা টাইপের কেউ নেই যে চাকরী নিয়ে বসে থাকবে!

শাহিনের বাবা সরকারী চাকরী করতেন, রিটায়ার্ড করেছেন। এখন বাসায় বসে থাকেন। মগবাজারে নিজেদের জমিতে তাদের তিনতলা বাসা। নিচতালা আর তিনতলা ভাড়া দেয়া, শাহিনেরা থাকে দোতালায়। বড় ভাই সজিব একটা চাকরী করেন। তাদের বাড়িতে সবসময় একটা অস্থিরভাব বিরাজ করে। যেন দেশে যুদ্ধ চলছে। শাহিনের বাবা আহমেদ সাহেব রিটায়ার্ড করার পর থেকে এটা আরও ভালভাবে শুরু হয়েছে।
-“শাহিন, নাস্তা খেতে আসো, নাস্তার পর বাবা তোমাকে তার রুমে যেতে বলেছেন”। বড় ভাবী ডেকে গেল শাহিনকে। ভাবীর নাম শাহানা। ভাবীর নামের সাথে শাহিনের নামের খুব মিল থাকায় প্রথম প্রথম সে খুব লজ্জা পেত। এখন অবশ্য পায় না। বাবা ডেকেছেন তার মানে আজকে পুরো দিন তাই খারাপ যাবে – ভাবছে শাহিন। বাবার সাথে কথা বলা মানে শুধু এক পক্ষের কথা শোনা আর ধমক খাওয়া।

-চাকরীর জন্য চেষ্টা করছ নাকি শুধু টইটই করে ঘুরে বেড়ানো হচ্ছে? আহমেদ সাহেব শাহিনের না দিকে তাকিয়ে বললেন।
-হ্যাঁ বাবা চাকরীর চেষ্টা করছি। বলল সে। এমনিতে আহমেদ সাহেব সব ছেলেদেরকে তুই করে বলেন।কিন্তু যখন কারও কপালে খারাপি থাকে তাহলে তাকে তুমি করে বলেন। আজকে সেই বিশেষ দিন বলে মনে হচ্ছে শাহিনের কাছে। আবহাওয়া ভাল না তার ওপর মিথ্যা বলেছে যে চাকরীর চেষ্টা করছে সে। কি যে আছে কপালে আজকে!
-সজিব তো বলল যে তুমি আর চাকরীর চেষ্টা করছ না; চাকরী করবা না কেন? তোমার বাবা কি জমিদার নাকি যে তোমাকে বসে বসে খাওয়াবে ?
-না বাবা তেমন না। আসলে আমাকে কেউ চাকরী দিতে চায় না। আর এসব চাকরী বাকরি আমাকে দিয়ে হবে না, ব্যাবসা করব।
-ব্যাবসা করবা? টাকা কে দিবে? ওসব হবে না। সাজ্জাদ কে বলে আমি তোমার একটা চাকরী ঠিক করেছি। ওয়াচমান টাইপ চাকরী, শুধু পাহারা দিবা। তোমার জন্য তো ঠিকই আছে। কাল থেকে জয়েন করবা। টেবিলের ওপর ঠিকানা আছে নিয়ে যাও।
-জি আচ্ছা। বলে অনিচ্ছা সত্তেও ঠিকানাটা নিল সে। সাজ্জাদ তার দুলাভাই। এই লোকটাকে শাহিন তাকে দেখতে পারে না। এই লোকের দেয়া চাকরী সে করবে না। বাসার সবাই অবশ্য দুলাভাই বলতে অজ্ঞান। কারন প্রতি মাসে কিছু না কিছু গিফট সে পাঠাবেই, সবার জন্যই। সবাইকেই হাতে রেখেছে সে, শাহিন সেটা বোঝে। সকালের নাস্তা না করেই বেরিয়ে পড়ল। মনটা খারাপ তার।

দুই
বাসা থেকে বের হয়ে মোড়ের দোকানে ঢুকল নাস্তা করতে। খিদেয় পেট চো চো করছে। পরাটা, নেহারী, মিষ্টি দিয়ে নাস্তা সারল শাহিন। বিল যথারীতি বাবার খাতায়। আপার বাসায় পৌছাতে পৌছাতে বেলা ১২ টা বেজে গেল। আপার ওখানে গেলে তার সময় খুব ভাল কাটে। বাসায় ঢুকলেই মনটা ভাল হয়ে যায়। প্রাচুর্যের বিশাল একটা শক্তি আছে যা মন কেও ভাল করে ফেলে। আপা অবশ্য খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সব খবর নেন। আর একটা কাজ হয়, আপা কিছু না কিছু টাকা হাতে ধরিয়ে দেন। বেকার ছেলেদের কাছে সেটাই যেন অমূল্য ধন। বড় আপা আজ দিলেন ১০০০ টাকা; বললেন, “তোর শার্টের এ অবস্থা কেন? নতুন শার্ট কিনে নিবি। নে টাকাটা রাখ, তোর দুলাভাইয়ের অনেক টাকা”। যাক আজকে তাহলে নিলার সাথে দেখা করা যাবে। আপার বাসা থেকেই নিলাকে ফোন দিল। নিলার কথা সময় মত বলা হবে। আপার বাসায় গেলে আপা না খাইয়ে ছাড়েন না, আজও তার ব্যতিক্রম হল না। আপার বাসা থেকে বেরিয়ে আর কোন কাজ খুজে পাচ্ছিল না শাহিন। নিলা আসবে বলল ৫টায়, এখন মাত্র ৩টা বাজে। শাহিন ভাবল অনেকদিন পর বাধ্য প্রেমিক এর মত সে ২ ঘন্টা দাঁড়িয়ে নিলার জন্য অপেক্ষা করবে। হাতে কাজও নেই আর নিলার প্রতিদিনের মত দেরী করে আসো কেন এই টাইপ কথা শুনতে হবে না। যেই ভাবা সেই কাজ, শুরু হল শাহিনের অপেক্ষার প্রহর…

[চলবে…]

Read the rest of this entry »

Advertisements
 
2 Comments

Posted by on March 3, 2014 in চলমান গল্প

 

Tags: ,

ছোট্ট এবং অসমাপ্ত ‘দেখা’

সামাজিক অনুষ্ঠানগুলো থেকে বরাবরই নিজেকে দুরে সরিয়ে রাখে কাসেদ। অফিসের কলিগরা প্রায়ই তাকে তাদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ দিয়ে থাকেন। সবসময় নিজের বিভিন্ন কাজের কথা বলে এড়িয়ে যায় সে। ধীরে ধীরে তার কাছে দাওয়াত আসা বন্ধ হতে থাকে; এতে অবশ্য কাসেদ খুশি। অযথা তাকে আর অজুহাত খুজতে হয় না। ভালোই আছে সে। ৯ টা – ৫টা অফিস করে, মাস গেলে মোটা বেতন; আর কি চাই! তার তো আর কোন পিছুটান নেই। মাঝে মাঝে অবশ্য নাহার এর কথা ভাবে। কেমন আছে মেয়েটা? পরে ভাবে কি লাভ জেনে?
কিন্তু এবার কাসেদকে জেতেই হল এক বিয়ের অনুষ্ঠানে। বড় সাহেবের মেয়ের বিয়েতে। কোন উপায় ছিল না, না হলে বড় সাহেব মাইন্ড করতেন। জলে বাস করে তো আর কুমিরের সাথে লড়াই করা যায় না। অনুষ্ঠানে এসে সে বুঝল কি বিরাট ভুল করে ফেলেছে। এত্ত এত্ত মানুষ; মনে হয় বড় সাহেব পুরো শহরকেই দাওয়াত দিয়েছেন। সে না এলেও কিছু যায় আসত না। নিজেকে বড়ই অনাহুত মনে হচ্ছিল কাসেদের। যাইহোক, তাড়াতাড়ি খাওয়া শেষ করে হাত ধুয়ে একটু আড়ালে গিয়ে সিগারেটে টান দিতে দিতে ভাবছে কাসেদ, ভালোই খাওয়া দিলাম। বড় সাহেব খরচের কমতি করেননি। আপনমনে সিগারেটে টানছিল হঠাৎ খুব মিষ্টি এবং পরিচিত একটা কন্ঠে তার নাম শুনে ঘুরে দাঁড়ালো কাসেদ। দেখল নাহার দাঁড়িয়ে আছে তার সামনে। সিগারেটটা ছাড়তে পারলে না এখনও? বলল সে। কাসেদ অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে। এতদিন পর এভাবে দুজনের দেখা হয়ে যাবে ভাবেনি সে। নীল রঙের শাড়ীতে অপূর্ব লাগছে ওকে। অনেকদিন পরে দেখা এই জন্নেই কি ওকে আরো বেশী সুন্দর দেখাচ্ছে নাকি আসলেই আগের থেকে বেশী সুন্দর হয়েছে নাহার তা ঠিক করতে পারল না কাসেদ । নীরবতা ভাঙল নাহার, কেমন আছ? বলল সে। এবার কাসেদের কিছু বলার পালা। কি বলবে সে? বলবে ভাল আছি, নাকি বলবে ভাল নেই? অবশেষে বলল ভাল আছি। কাসেদের কণ্ঠে অদ্ভুত এক অভিমান ঝড়ে পড়ল। নিজের কণ্ঠস্বর শুনে অবাক হল সে, এখন তো আর এসব অনুভুতির কোন দাম নেই। নিজেকে সামলে নিয়ে বলল, তোমার কি অবস্থা? এই তো চলছে আর কি। খোঁজ খবর তো নাও না। একটা ফোনও তো দিতে পারতা এই বছর গুলোতে, বলল নাহার। বলে কি এই মেয়ে ভাবতে লাগল কাসেদ। যা হয়েছে তার পর আবার ফোন? ঠিক করল কড়া কথা বলবে সে নাহারকে। বলল, খবর নেয়ার কথা ছিল নাকি? কাসেদের কণ্ঠে কি জানি ছিল, চমকে উঠল নাহার। ভাল করে তাকাল তার দিকে। আর কথা বাড়ানোর সুযোগ না দিয়ে উল্টো দিকে হাঁটা দিল কাসেদ। যেতে যেতে আবার ফিরে আসল এবং বলল, নাহার; একটা কথা তোমাকে বলা দরকার। আমরা দুজন একসাথে সারা জীবন কাটানোর প্লান করেছিলাম কিন্তু আজ তোমার জন্য আমার আর কোন শুভকামনা নেই। নাহারের চোখের দিকে তাকিয়ে অনেক নিষ্ঠুর ভাবেই হয়ত কথাটা বলে ফেলেছিল সে, দেখল নাহার চোখ বেয়ে জল নামছে। এই মুহূর্তে কি করবে ভেবে পেল না সে। দাঁড়িয়ে রইল। ভাবতে লাগল; নাহ! এত কড়া কথাটা না বললেই পারতাম। আর কবে দেখা হবে তার কোন ঠিক নেই। মেয়েটাকে শুধু শুধু কষ্ট দিলাম। একটু পরে নাহার স্বাভাবিক হয়ে বলল, সে সময় কেন ওই সিধান্ত নিয়েছিলাম তা তো তুমি ভাল করেই জান। টিস্যু এগিয়ে দিল কাসেদ। বলল, আচ্ছা বাদ দাও পুরানো কথা। চল চা খেয়ে আসি। আমার সাথে যেতে আপত্তি নেই তো আবার? কিছু বলল না নাহার শুধু আস্তে করে সায় দিল।
[ কাসেদ এবং নাহার নাম দুটি আমার প্রিয় একটি উপন্যাস জহির রায়হানের “শেষ বিকেলের মেয়ে” থেকে নেয়া ]

 
2 Comments

Posted by on June 4, 2013 in গল্প

 

Queue – Insert

One of the elementary data structures is Queue. Before going on details let’s see some real life example of queue. It will help to understand to basic of queue. We have seen the line of a ticket counter of bus or cinema, it has a starting point where tickets is given and ending point. The line is held in queue fashion i.e. those who comes first enters first in the line and also gets ticket first than the others. And person can either enter or get out from the line only at the end of the line. So first come first serve deal!

In programming, queue is based upon similar fashion described above and we call it FIFO, First In First Out. Front is said the beginning and Rear is said the ending of queue. It is based upon some conditions:

1.We say queue is in Underflow mode when
Front is 1 and Rear is equal to it’s max value.
Or Front is equal to rear +1
2.We have to set conditions for the Front = NULL and Rear = Max value. If Front = NULL and Rear = Max then set Front =1 and Rear =1.
3.keep incrementing Rear value to 1, rear++;

So the algorithm for inserting into Queue is defined below:

Queue (item, maxItem, front, rear)
1. if front:=1 and rear:=maxItem Or front:=rear+1
print Overflow
return
2. if front:=null and rear:=maxItem
SET front:=1 and rear:=1 ; return
3. rear:=rear+1
4. SET queue[rear]:=item

 

Rest of the topics of the Queue will be covered in the next article.

 
Leave a comment

Posted by on April 26, 2013 in Data Structures

 

Tags: , , , , , ,

Abstract classes and methods

Today’s topic is abstract class and method. In Java programming abstract classes and methods has a significant use. Just putting the keyword abstract before the class name or method name, it becomes abstract.

Like any other class, an abstract class can contain fields that describe the characteristics and methods that describe the actions that a class can perform. An abstract class can include methods that contain no implementation. These are called abstract methods. The abstract method declaration must then end with a semicolon rather than a block. If a class has any abstract methods, whether declared or inherited, the entire class must be declared abstract. Abstract methods are used to provide a template for the classes that inherit the abstract methods.

Abstract classes cannot be instantiated; they must be sub classed, and actual implementations must be provided for the abstract methods.

Abstract class and method example:

/**
*
* @author Golam Rabbi
*/
// A Simple demonstration of abstract.
abstract class A {
abstract void callme();
// concrete methods are still allowed in abstract classes
void callmetoo() {
System.out.println("This is a concrete method.");
}
A(){} //constructor

}

class B extends A {
void callme() {
System.out.println("B's implementation of callme.");
}
}

class AbstractDemo {
public static void main(String args[]) {
B b = new B();
b.callme();
b.callmetoo();
}
}

When to use abstract class and interface:
If my application design changes frequently then I use interface instead of abstract class. Abstract classes are excellent candidates inside of application frameworks. Abstract classes let you define some behaviors; they force your subclasses to provide others.

 
Leave a comment

Posted by on January 21, 2013 in Java

 

Interfaces

Interface is very essential in Java programming. When you have to write tons of lines of codes, then it becomes really handy.

In Java programming, an Interface is a reference type, very much similar to a class. It contains only constants, method signatures. There are no method bodies. Interfaces can only be implemented by some class or extended by some other Interfaces. You can implement more than one Interface at a time. Each class that includes an Interface must implement all the methods of it. Variables can be declared inside an Interface, they are implicitly final and static. One last thing is file name should be the interface name. By interface keyword Java shows it’s power of polymorphism. Basic declaration of Interface is similar to a class.


Basic declaration:

access interface InterfaceName{

return-type methodName1();
return-type methodName2();
type final var1 = value;

}

Let’s see some example of Interface.

WarmOrCold.java

/**
*
* @author Golam Rabbi
*/
public interface WarmOrCold {

static final double temp_warm = 20.5;

void warm();

}

Implementing that interface.

IsWarmOrCold.java


import javax.swing.JOptionPane;

/**
*
* @author Golam Rabbi
*/
public class IsWarmOrCold implements WarmOrCold {

@Override
public void warm() {
if (temp_warm >20)
{
JOptionPane.showMessageDialog(null, "Today is a hot day!!");
}

}

public static void main(String args[]){
IsWarmOrCold warmOrCold = new IsWarmOrCold();
warmOrCold.warm();
}
}

 
Leave a comment

Posted by on January 20, 2013 in Java

 

Tags: ,

রাশা – আবীরের গল্প

“ আবীর ভাই, আপনাকে আমি ভালবাসি। আবীরের চোখে চোখ রেখে বলল রাশা। আবীর অবাক হয়ে তাকিয়ে আছে রাশার দিকে, বলে কি এই মেয়ে? কি বলবে ভেবে পাচ্ছে না আবীর। একবার চিন্তা করলো গেম খেলবে নাকি একটা? নাহ, থাক শুধু শুধু কষ্ট দিয়ে কি লাভ? চিন্তা করলো মেয়েরে ফাফর দেয়া লাগবে; কত্তো বড়ো সাহস আমারে প্রপোজ করে? ফাজিল মাইয়্যা! চোখে মুখে রাগের আভা ফুটিয়ে বলল –
-“রাশা তোমার বয়স কতো ?”
-“জানেন না মেয়েদের বয়স জিজ্ঞেস করতে নেই?” উত্তরে বলল রাশা ।
বোল্ড হয়ে গেলাম নাকি? চিন্তা করছে আবীর। এ প্রশ্ন কেন করলো সে? সে তো জানেই যে এই প্রশ্নের উত্তর একটাই। বলদ একটা- মনে মনে বলল সে নিজেকে। মেয়ের কাছে হারা যাবে না। যাই হোক মুখের ভাব আগের মতই রেখে বলল আবীর –
-“হুমম, তাহলে বলো যে তোমার আমার বয়স এর পার্থক্য কতো?”
-“তাতো আপনিও জানেন আমিও জানি, তাহলে শুধু শুধু এই প্রশ্ন কেন?” রাশার কাটকাট উত্তর।
“আমি আপনাকে আমার মনের কথা জানিয়েছি বাকিটা আপনার ব্যাপার। তবে আমার উত্তরটা জলদি দিলেই খুশি হবো।” বলেই হাঁটা দিলো রাশা ।

আবীর দাঁড়িয়ে রইলো আর ভাবতে লাগলো, মাইয়্যা কি উলটা ফাফর নিলো নাকি ?

আবীর ভার্সিটিতে পড়ে,থার্ড ইয়ার। সামারের বন্ধ থাকায় বাড়িতে এসেছে। বাসায় কত্তো কাজ তার। পুরনো বন্ধুদের সময় দিতে হয়, এলাকায় সবকিছু ঠিক আছে কিনা তা দেখতে হয়, পাশের বাসার আপুটা হঠৎ এত সুন্দরী হয়ে উঠলো কিভাবে তার খবর নিতে হয়; আরও কতো কি! আর এই সময়ে এই ঘটনা।

আবীরের তুলনায় রাশা বয়সে ছোটই! এইচ.এস.সি পরীক্ষা দিয়েছে মাত্র। ভার্সিটিতে এডমিশন এর অপেক্ষায় আছে। বিকেলে মাঠে বসে সিগারেট টানতে টানতে আবীর ভাবছে রাশার কথা। মেয়েটা তো খারাপ না, ভালই সুন্দরী বলা চলে। পরে ভাবলো, আবীর কচু চেনো তুমি;রাশা অতীব সুন্দরী একটা মেয়ে। তুমি এতদিন ভালো করে খেয়াল করো নাই। তার মতো সুন্দরী শহরে দুইটা নাই। সেই মেয়ে তোমারে প্রপোজ করছে আর তুমি মিয়া পার্ট নিতেছো?পরক্ষণেই আবার চিন্তা করলো জীবনে কতো মেয়ে আসলো আর গেলো, এই মেয়ের কাছে কাত হওয়া যাবে না!

এক ধরনের মিশ্র অনুভুতি, বেসামাল মন আর ভয় থেকে পরদিন আবীর ফোনে জানালো রাশাকে যে সে তার ব্যপারে আগ্রহী নয়!

ছুটি শেষ করে ভার্সিটিতে এসে পড়ালেখায় মন দিতে পারলো না আবীর। সবসময় রাশার কথা মনে পরে! সিগারেট খাওয়া বেড়ে গেলো। কেনো? এর উত্তর পেলো কয়েকদিন পরে যখন সে বুঝলো যে সে আসলে ভালোবেসে ফেলেছে রাশাকে এবং তাকে ছাড়া আবীরের চলবে না। সিধান্ত নিয়ে ফেলল যে সে এই মেয়েকেই জীবন সাথী করবে। ফোন করলো রাশাকে। ও প্রান্ত থেকে ভেসে এলো সুরেলা আওয়াজ , “… মোবাইল সংযোগ দেয়া সম্ভব হছে ”। সারাদিন ট্রাই করলো, বুঝলো নম্বর পালটিয়েছে রাশা। অভিমানে?

আর দেরি করলো না আবীর। বারবার তার মনে হচ্ছিলো আর দেরি করলে হয়তো সে জীবনের খুব মুল্যবান সম্পদ হারিয়ে ফেলবে। পরদিন সকালের বাসে করে নিজ শহরে আর হাত-মুখ ধুয়েই রাশাদের বাসায় হাজির আবীর। আন্টী বলল- কেমন আছো বাবা? এইতো আন্টী ভালোই বলল সে । একটু পরে রাশা আসলো। রাশাকে দেখে আবীর অবাক। ইশ! কি চেহারা হয়েছে মেয়েটার; চোখের নিচে কালি পরেছে, চুলের যত্ন নাই। আহারে মেয়েটা!

-“কেমন আছেন আবীর ভাই?”

-“ ভালই, তুমি ?”

-“আমিও ভালই ।”

-“হুমম, তা তো দেখতেই পাচ্ছি। যাই হোক তুমি কি আজ বিকালে আমার সাথে দেখা করতে পারবা? ”

-“কেনো?”

-“ একটু কথা ছিলো। প্লিজ এসো; আমি আজ রাতের বাসেই চলে যাবো। ”

-“আচ্ছা। ”

-“বলেন কি বলবেন? রাশা বলল। ”

অনেক সাহস নিয়ে এসেছিলো আবীর যে অনেক কথা বলবে, গুছিয়ে বলবে রাশাকে। কিন্তু তার কিছুই বলতে পারলো না সে। শুধু বলল

-“ তোমাকে আমার ভালো লাগে রাশা, ভালোবাসি তোমায় ”।

রাশা তাকিয়ে আছে আবীরের দিকে। বলল –

“মানে কি এসবের? ফাজলামি পাইছেন? একবার বলবেন ভালোবাসেন না, একবার বলবেন বাসেন। গেম নাকি?” এতুটুকু বলে দম নিলো রাশা। “শোনেন আমি যেনো তেনো মেয়ে না। আমার জন্য কতো ছেলে পাগল আপনার ধারনা নাই। আর সেই আমি লজ্জার মাথা খেয়ে আপনাকে প্রপোজ করলাম আর আপনি পাত্তাই দিলেন না? ”

-“আমি আসলে তখন বুঝিনি …।”

-“আপনি জানেন আপনার ওই ফোনের পর কতো রাত আমি ঘুমাতে পারি নাই …। ”

-“আই এম সরি….।”
-“সরি বললেই কি সব ঠিক হয়ে যায় নাকি ?”

-“নো ,নো আই রীয়ালি মীন ইট । তোমাকে যে আমি ভালোবাসি তা আগে বুঝি নাই। প্লিজ আজকে ফিরেয়ে দিয়ো না আমাকে ।”
তার পর দুজনেই চুপচাপ, কারো মুখে কোনো কথা নাই । রাশাই মুখ খুললো, বলল

-“ আবীর ভাই আপনি যদি আজও আমাকে বলতেন যে আপনি আমাকে ভালবাসেন না তবূও আমি সারাজীবন আপনাকেই ভালবেসে যেতাম।”

কি করবে ভেবে পেলো না আবীর; শুধু আলতো করে রাশার হাতটা ধরলো ।

 
Leave a comment

Posted by on October 11, 2012 in গল্প

 

Tags:

Three OOP Concepts Coding Example: Final Part(Polymorphism)

Let’s see a real life example of Polymorphism. Number one Crickting all rounder Shakib Al Hasan can be a good example to describe Polymorphism. Shakib is only one person in the cricket field. But he does excellent batting as well as bowling. That’s why he is an all round cricketer. So in terms of books they say, one interface multiple method is called Polymorphism.

There is a term called overloading. If you want to overload a method it is called method overloading; if you want to overload constructor it is called constructor overloading. These are examples of Java’s Polymorphism. So what is method overloading? If you want to use same method name multiple time in a single class, it is called method overloading. Just make sure declaration of parameters are different. You can do it with constructor also.

Another term is called method overriding. If one method is declared in the super class and you want to use that method name into your sub class then it is called method overriding. Of course I am talking about this when you extends a class using inheritance technique. You can only use method overriding when you extend some class.

Example of method over loading:


/*Example of method over loading
* File Name: PolymorphismDemo.java
* @author: Md. Golam Rabbi
*
*/

public class PolymorphismDemo {
public void printString(){
System.out.println("Inside method printString WithOUT param");
}
//method overloading
public void printString(String str){
str = "Inside method printString WITH param";
System.out.println(str);
}
public static void main(String args[]) {
PolymorphismDemo p = new PolymorphismDemo();
p.printString();
p.printString("");
}
}

Now method overriding example:


/*
* Example of Method Overriding
* SuperClass.java
* @author: Md. Golam Rabbi
*/
public class SuperClass {

public void methodInSuperClass(){
System.out.println("Inside super Class");
}

}

Another class:

/*
* Example of Method Overriding
* SuperClass.java
* @author: Md. Golam Rabbi
*/
public class SubClass extends SuperClass{

@Override
public void methodInSuperClass() {
System.out.println("Inside Sub Class");

}

public static void main(String args[]){
SubClass sub = new SubClass();
sub.methodInSuperClass();
}

}

 
Leave a comment

Posted by on October 11, 2012 in Java

 

Tags: